Home > Tips and tricks

Tips and tricks

ব্লগার এবং ওয়েবসাইট ডিজাইনারদের জন্য কিছু প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা

Saturday, March 3, 2012 Category : 0


ইন্টারনেটে ঘুরতে ঘুরতে Smashing Magazine  ওয়েবসাইটে একটি ফাটাফাটি পোষ্ট  খুঁজে পেয়েছি। পোষ্টটিতে ইন্টারনেটে সফল ব্লগগুলোর ডিজাইনের উপর জরিপ চালিয়ে প্রাপ্ত তথ্যগুলোকে সুন্দরভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। আর পোষ্টটির শেষে মূল অংশগুলোকে পয়েন্ট আকারে দেয়া হয়েছে।

আমি পয়েন্টগুলো নিয়ে একটু আলোচনার করতে চেষ্টা করব। আর যারা বিস্তারিত জানতে চান, তারা পোষ্টটির শেষে সূত্র ধরে ওয়েবসাইটে গিয়ে পড়ে নিতে পারেন।

এক – ব্লগের কয়টি কলাম

ব্লগের ডিজাইন নির্ধারণ করার সময় সবচেয়ে যে বিষয়টি নিয়ে ডিজাইনাররা মাথা ঘামান, তা হল ব্লগে কয়টি কলাম হবে। আমি ব্যক্তিগতভাবে ব্লগে ৩টি কলাম পছন্দ করি, একটি মূল অংশ ও দুটি সাইডবার। পরিসংখ্যানে দেখা যায় ৫৮% ব্লগে (TalkingPointsMemo , CopyBlogger , Mashable , Lifehacker ) কলাম সংখ্যা ৩টি কিংবা ততোধিক আর বাকি ৪২% ব্লগের (Zen Habits , GigaOM , Google Blog, Seth Godin , Boing Boing ) কলাম সংখ্যা দুইটি। এই তথ্য অনুযায়ী বোঝা যাচ্ছে কলাম সংখ্যা নিয়ে ব্লগারদের মতের ভিন্নতা আছে।

দুই – ব্লগ ডিজাইন

৯৪% ওয়েবসাইট ব্রাউজারের মাঝে (center aligned) প্রদর্শিত হয়। ব্যক্তিগতভাবে আমিও ওয়েবসাইট মাঝে লোড হওয়াই পছন্দ করি।
ওয়েবসাইটের লেআউট দু’ধরনের হতে পারে, একটির প্রস্থ নির্দিষ্ট থাকে অন্যটি পুরো স্ক্রিন জুড়ে লোড হয়। ৯২% ব্লগের লেআউট নিদির্ষ্ট প্রস্থে প্রর্দশিত হয়।
নির্দিষ্ট লেআউট ব্লগের ৫৬% ব্লগের লেআউটের প্রস্থ ৯৫১ পিক্সেল থেকে ১০০০ পিক্সেলের মধ্যে প্রদর্শিত হয়।
লেআউটের ৫৮% জুড়ে ওয়েবসাইটের মূল অংশ প্রদর্শিত হয়। ব্লগের ক্ষেত্রে পোষ্ট দেখানোর কলামের কথা বলা হয়েছে।
দুইভাবে ওয়েবসাইট ডিজাইন করা যায়, একটি Table Layout আর অন্যটি CSS (mainly div) Layout। প্রথমটি বেশ পুরোনো স্ট্যাইল, ভিন্ন ভিন্ন ব্রাউজারে অনেকসময় সমস্যা করে আর পরেরটি নতুন এবং সব ধরনের ব্রাউজারে সমস্যাভাবে প্রদর্শিত হয়। জরিপের ৯০% ওয়েবসাইট CSS Layout ব্যবহার করে ডিজাইন করা হয়েছে। সুখবর হচ্ছে বর্তমানের প্রতিটি ব্লগিং প্লাটফরম, বিশেষ করে ওয়ার্ডপ্রেস CSS Layout মেনে চলে।
৯৮% ব্লগের ব্যাকগ্রাউন্ড হালকা রংয়ের এবং লেখা গাড় রংয়ের। যারা এর বিপরীতটি করে থাকেন, তারা আরেকবার চিন্তা করে দেখতে পারেন। কারন পাঠকরা এই কম্বিনেশনেই অভ্যস্ত। কালো ব্যাকগ্রাউন্ডে সাদা হরফ পড়তে অনেকের সমস্যা হতে পারে।
তিন – ফন্টের ব্যবহার

প্রায় প্রতিটি ব্লগের প্রতিটি লাইনে কম বেশি ৮০ থেকে ১০০ টি বর্ণ আছে। এর চেয়ে কম কিংবা বেশি হলে কোনো সমস্যা নেই, কিন্তু খুব কম হলে scrolling বেশি করতে হয় আর লাইনগুলো অনেক লম্বা হলে পড়তে পড়তে ধ্যৈর্য্য চলে যেতে পারে।
৯০% ব্লগের মূল্ অংশে (ব্লগ পোষ্টে) Verdana, Lucida Grande, Arial এবং Georgia ফন্ট ব্যবহার করা হয়েছে। তাই হরেক রকম ফন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন।
৭৮% ব্লগ পোষ্টের ফন্টের সাইজ ১২ পিক্সেল থেকে ১৪ পিক্সেলের মধ্যে। অহেতুক ফন্ট বড় ছোট করবেন না। পুরো সাইটে ফন্টের সাইজের ধারাবাহিকতা বজায় রাখুন।
শিরোনামের ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের ফন্টের ব্যবহার লক্ষ্য করা গেছে। তবে দু:স্প্রাপ্য কোনো ফন্টই ওয়েবসাইটে ব্যবহার করা উচিত নয়। ৫২% ব্লগে Arial এবং Georgia শিরোনামে ব্যবহার করা হয়েছে।
শিরোনামের ফন্টের সাইজ সাধারণত ১৭ পিক্সেল থেকে ২৫ পিক্সেলের মধ্যে সীমাবদ্ধ
সাফল্যময় ব্লগ তৈরির ক্ষেত্রে পাঠকের ওয়েবসাইটে ভ্রমনের অভিজ্ঞতাকে প্রাধান্য দিতে হয়। তা না হলে পাঠক বিভিন্ন উদ্ভুত সমস্যার কারনে বার বার ওয়েবসাইটে আসা বন্ধ করে দেয়।

জরিপের কথাগুলো মেনে চললেই ব্লগ জনপ্রিয় হবে, এটা ভাবা বোকামী। জরিপে বিভিন্ন বিষয়গুলোর মাধ্যমে ওয়েবসাইটের ডিজাইন, পাঠকদের পছন্দ এবং স্বাচ্ছন্দ্যময় অভিজ্ঞতার নানান দিক তুলে ধরা হয়েছে। তাই ওয়েবসাইট ডিজাইনের সমসয় এই দিকগুলো মাথায় রেখে এগিয়ে যেতে হবে।

ক্লোজার কমপাইলার সার্ভিস, গুগল ল্যাবস থেকে

Category : 0


ক্লোজার কমপাইলার সার্ভিস এমন একটি টুল যেটা দিয়ে অনেকগুলি জাভাস্ক্রিপ্টকে একত্রে এনে কমপ্রেশানের মাধ্যমে দ্রুত লোডিংয়ের আয়োজন করা যেতে পারে। আজকাল আমাদের জাভাস্ক্রিপ্টের ব্যবহার বেড়ে গেছে, ওয়ার্ডপ্রেসের অনেক থিম এবং প্লাগিনের কারনে ৪-১০’টি জাভাস্ক্রিপ্ট লোড করাতেই হয়। কিন্তু এতোগুলি স্ক্রিপ্ট লোড হতে সময় লেগে যায় বেশ কিছুটা, ক্লোজার কমপাইলার সার্ভিস দিয়ে আমরা একাধিক জাভাস্ক্রিপ্ট ফাইলকে একটি ফাইলের মধ্যে আনতে পারবো এবং এই পর্যন্ত আমি যতোগুলি পরীক্ষা করেছি তাতে সব জাভাস্ক্রিপ্ট ফাইলের মিলিত সাইজের অর্দ্ধেক সাইজের একটি ফাইল বানিয়ে দিয়েছে। এটি PageSpeed‘এর সাথে একযোগে কাজ করবে।

সরল একটি ওয়েব ইন্টারফেসের মাধ্যমে এই কাজটি সম্পন্ন করতে পারবেন। বর্তমানে ব্লগে যেসব জাভাস্ক্রিপ্ট চলছে তার ইউআরএল দিয়ে দিন এক এক করে, সাধারনভাবে স্ক্রিপ্টগুলি থাকে থিম ডাইরেক্টরির মধ্যে সাবফোল্ডারে, নির্দিষ্ট ইউআরএল ঠিকানাটি দিন এবং Add ক্লিক করুন, এইভাবে একে একে সব জাভাস্ক্রিপ্ট ফাইল যুক্ত করে নিয়ে অপ্টিমাইজেশান লেভেল পছন্দ করুন। পছন্দগুলি পাবেন Whitespace only, Simple এবং Advanced। আপাতত Simple দিয়েই শুরু করা ভালো, তবে বিশদে জানতে এই পাতায় দেখুন।

আপনার ব্লগে কতোগুলি জাভাস্ক্রিপ্ট চলছে?

সাধারনভাবে থিম ফোল্ডারের মধ্যেই /js কিম্বা /javascript নামে ফোল্ডার পাবেন, সেখানেই মূলত সব জাভাস্ক্রিপ্ট ফাইল রাখা থাকে। এই ফোল্ডারের নামের হেরফের হতে পারে, যেমন থিসিস থিম যারা ব্যবহার করছেন, সেখানে /lib/scripts ফোল্ডারে আছে জাভাস্ক্রিপ্ট। এছাড়াও /wp-includes/js/ ফোল্ডার থেকেও প্লাগিন লোড হয়। মোট কতোগুলি এবং কি কি জাভাস্ক্রিপ্ট লোড হচ্ছে সেইটা জানার সবচেয়ে সহজ উপায় ব্রাউজারে ব্লগের প্রধান পাতা এবং যেকোনো একটি পোস্ট পাতা খুলে নিয়ে পেজ সোর্স দেখুন। খুঁজে পেতে যদি অসুবিধা হয়, তাহলে সার্চ করুন “.js” লিখে, এর পরে Next বোতাম চেপে একে একে দেখে নিন সব জাভাস্ক্রিপ্টের ইউআরএল ঠিকানা।

কিভাবে করবেন কমপাইল প্রক্রিয়াটি?

দুটি উপায় আছে। যাদের ব্লগ ইতিমধ্যেই সক্রিয় আছে, তারা উপরের পদ্ধতিতে সব স্ক্রিপ্টের ইউআরএল ঠিকানা একে একে নিয়ে Closure Compiler পাতায় Add A URL পদ্ধতিতে একে একে যুক্ত করে দিতে পারেন। এই পদ্ধতিতে কমপাইলার আপনার ব্লগ থেকে সরাসরি সংগ্রহ করে নেবে আপনার বলে দেওয়া স্ক্রিপ্ট ফাইলগুলি। অন্যথায়, থিমের ফোল্ডার থেকে স্ক্রিপ্ট ফাইল খুলে সবটা কপি করে নিয়ে কমপাইলার পাতায় দেওয়া বাক্সে পেস্ট করে দিতে পারেন। এই পদ্ধতিতে অনেক কপি/পেস্ট করতে হতে পারে।

যেসব স্ক্রিপ্ট ফাইল একেবারেই ধরবেন না

আপনারা জানেন যে গুগল এডসেন্স, গুগল এনালিটিক্স ইত্যাদির জাভাস্ক্রিপ্ট আছে যা গুগল নিজে নিয়ন্ত্রণ করতে পছন্দ করে। আমরা এইসব ফাইলে নিজেদের কর্তৃত্ব ফলাই তা গুগল একেবারেই চায়না। সুতরাং ga.js এবং show_ads.js এই দুটি ফাইল কমপাইলারে দেবেন না। পরিবর্তন না করেও এই দুটিকে কমপাইলারের মাধ্যমে অন্যান্য স্ক্রিপ্টের সঙ্গে একত্রে একটি জাভাস্ক্রিপ্ট ফাইলে নেওয়ায় নিয়মবিরুদ্ধ হিসেবেই গণ্য হবে। যদি গুগল নাও ধরতে পারে, তার পরেও কিছু অনাকাঙ্খিত পরিস্থিতির সম্মুখিন হতে পারেন, তার একটাই কারন, গুগল তার সার্ভিস আপডেটের সময়ে এইসব ফাইলে কিছু পরিবর্তন করতে পারে যার লাভ আপনি পাবেন না যদি কমপাইলার দিয়ে অন্য একটি ফাইলে নিয়ে নেন স্ক্রিপ্ট। সুতরাং, গুগলের উন্নত সার্ভিস থেকে বঞ্চিত হতে না চাইলে এই দুটি জাভাস্ক্রিপ্ট ফাইলকে গুগলের সার্ভার থেকেই লোড হতে দিন।

থার্ড পার্টি জাভাস্ক্রিপ্ট

আমরা অনেকেই এমন কিছু সার্ভিস ব্যবহার করি যেসবের জাভাস্ক্রিপ্ট সার্ভিস প্রদানকারীর ওয়েবসাইট থেকেই লোড হয়। এইসব ক্ষেত্রে এদের স্ক্রিপ্টের ইউআরএল জেনে নিয়ে কপি করে কমপাইলারে দিতে পারেন (যদি না তাদের নিয়মে এক্সক্লুসিভ ভাবে বারন করা থাকে), তবে এক্ষেত্রে একটু নজর রাখবেন যে থিমের যেসব পিএইচপি ফাইলে procedure call থাকবে সেইখানেও পরিবর্তন করতে হবে যাতে করে দুইবার call না হয় একই জিনিস। আমরা ব্লগের লোডিং টাইমে গতি আনতে চাইছি, একই স্ক্রিপ্ট দুইবার call যেন নাহয় সেদিকেও সমান নজর রাখতে হবে।

কমপাইল কার্য শেষে আপনি পাবেন একটি নতুন জাভাস্ক্রিপ্ট ফাইল। স্বাভাবিকভাবে এর নাম default.js আছে, এই নাম পরিবর্তন করে নিতে পারেন। পূর্বের সকল স্ক্রিপ্ট ফাইলের মিলিত সাইজের হিসেব করুন এবং নতুন ফাইলের সাইজ দেখুন কতোখানি সাইজ কমেছে। এবারে এই ফাইল ব্যবহারের জন্য প্রথমেই ডাউনলোড করে নিন এবং FTP দিয়ে নিজের হোস্টে আপলোড করে রাখুন। থিমের জাভাস্ক্রিপ্টের ফোল্ডারেও রাখতে পারেন। এবারে থিম এডিট করতে হবে, পূর্বের জাভাস্ক্রিপ্টগুলিকে নিষ্ক্রিয় করুন এবং নতুন ফাইলের ইউআরএল লিখে দিন। (পূর্বের জাভাস্ক্রিপ্টগুলির উল্লেখ মুছে না ফেলে নিষ্ক্রিয় করুন <!– এইভাবে –> ) এবারে থিম ফাইল সেভ করুন এবং ব্রাউজারে ব্লগ লোড করে দেখুন সব ঠিক আছে কিনা। সমস্যা মনে হলেই নিষ্ক্রিয় করা লাইনগুলিকে আবার সক্রিয় করে দিন এবং নতুন ফাইলের লাইনটিকে নিষ্ক্রিয় করে দিন, তাহলেই ব্লগ পূর্বের মতোই লোড হওয়ার কথা।

এই কমপাইলার সার্ভিস দিয়ে সুবিধা যেটুকু হবে তা সাধারন চোখে হয়তো ধরা নাও যেতে পারে। তবে অঙ্কের বিচারে লোডিং টাইমে গতি আসবেই কিছুটা। ভালোভাবে বোঝার জন্য আগে ওয়েবমাস্টার টুলসে গিয়ে পেজস্পিড দিয়ে গতি নির্ধারন করে নিন, তার পরে উপরের পদ্ধতি সেরে নিয়ে আবার পেজস্পিড চালিয়ে দেখুন কিছুটা সুবিধা হয়েছে কিনা।

Backlink নিয়ে চিন্তিত? কেউ আপনাকে লিঙ্ক দেয়না?

Category : 0


নিজের ব্লগ বা ওয়েবসাইট-এ ফ্রী কাঙ্খিত (Targeted) পাঠক পেতে সার্চ ইঞ্জিনের বিকল্প নেই। কিন্তু সার্চ ইঞ্জিন থেকে ফ্রী পাঠক পেতে প্রত্যেক ব্লগারকেই যথেষ্ট বেগ পেতে হয়, কেননা একই বিষয়ে ব্লগ লিখিয়ে প্রত্যেক ব্যক্তিই এক্ষেত্রে আপনার প্রতিযোগী। আর ব্যক্তিগত তথ্য বা মতামত বাদে কোন কিছুই মনে হয় ইউনিক না (এ বিষয়ে অবশ্য ভিন্ন মত থাকতে পারে)। একারনেই ইউনিক বিষয় আসলে খুজে পাওয়া যায় না। আর প্রত্যেক ব্লগারকেই নামতে হয় সার্চ ইঞ্জিনে উপরে স্থান পাওয়ার প্রতিযোগিতায়। সার্চ ইঞ্জিনে উপরে স্থান পাওয়ার ক্ষেত্রে Backlink বা Incoming Link এর গুরুত্ব অপরিসীম।

Backlink কি?

Backlink সম্পর্কে জানতে হাসান ভাইয়ের সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনে Incoming Link এর গুরুত্ব লেখাটি পড়ুন। আর যারা লিঙ্ক ধরে ঘুরাঘুরি করতে পছন্দ করেন না, তাদের জন্য হাসান ভাইয়ের লেখা থেকে Incoming Link এর সংগাটি কপি পেষ্ট করে দিলাম।

খুব সহজ ভাষায়, একটি ওয়েবসাইট যদি অন্য একটি ওয়েবসাইটকে লিংকের মাধ্যমে সংযুক্ত করে, তবে ২য় ওয়েবসাইটের জন্য লিংকটি incoming link এবং ১ম ওয়েবসাইটের জন্য লিংকটি outgoing link। এই পোষ্টে কেবলমাত্র incoming link নিয়ে আলোচনার চেষ্টা করব। ধরুন – আমার এই ব্লগে আমি পোষ্টের কোনো একটি অংশে ইংরেজি ব্লগের কোনো পোষ্টের লিংক দিলাম, তবে লিংকটি ইংরেজি ব্লগের জন্য incoming link হিসেবে বিবেচিত হবে।
Backlink কতটা গুরুত্বপূর্ণ?

Backlink এর গুরুত্ব বুঝাতে  SEOMOZ এর নিচের ছবিটি খুবই সহায়ক।


উপরের ছবিটিতে লক্ষ্য করুন কোন নির্দিষ্ট ওয়েব পেজের গুগুলে  উপরে অবস্থান পাওয়ার শতকরা ২২.৩৩% সুযোগ নির্ভর করে ব্যাকলিঙ্ক এর উপর এবং ২০.২৬% নির্ভর করে Incoming Link এর Anchor Text এর উপর। তার মানে গুগুল সার্চে উপরে স্থান পাওয়ার শতকরা ৪২.৬৯% সুযোগ নির্ভর করে Backlink এর উপর।

গুগুলের Algorithm এর এই ব্যাপারটা আমার খুবি ভালো লাগে, Backlink কে এতটা গুরুত্ব দেয়ার ব্যাপারটা অনেকটা আমাদের দেশের এই প্রবাদটার মতঃ

নিজে যাকে বড় বলে বড় সেই নয় লোকে যারে বড় বলে বড় সেই হয়।

অন্যরা আপনার সম্পর্কে কি বলে গুগুল সেটাকেই প্রাধান্য দেয়, কারন গুগুল মনে করে অন্যরা যখন আপনার ব্লগ কিংবা ওয়েবসাইটকে গুরুত্বপুর্ন মনে করে তখনই কেবলমাত্র Link দেয়। আর এ কারনেই Backlink এর এত গুরুত্ব।

এবার চলুন দেখা যাক, এত এত সার্চ ইঞ্জিন থাকতে গুগুলকে নিয়ে এত মাতামাতি কেন?  Comscore থেকে প্রাপ্ত তথ্য মতে, গত এপ্রিল ২০১০ এ শুধুমাত্র USA-এ তে ১৫.৪২ বিলিয়ন সার্চ হয়েছে তার মধ্যে ১০ বিলিয়ন সার্চই হয়েছে আমার প্রিয় গুগুল-এ।


তার মানে শতকরা ৬৫.১% সার্চই গুগুলে সম্পন্ন হয়েছে, তাই গুগুলকে নিয়ে মাতামাতি করাটা মোটেই অস্বাভাবিক নয়।

কিভাবে Backlink পাওয়া যাবে?

Content is King: Backlink পেতে আপনাকে অবশ্যই অবশ্যই ভাল মানের আর্টিকেল লিখতে হবে। কেননা, আপনার আর্টিকেল যদি ভাল না হয় তবে কেউ আপনাকে লিঙ্ক দিবেনা। আপনি হয়ত বা লক্ষ্য করে থাকবেন, আমি যখন SEOMOZ এর ছবিটি এখানে দিলাম, তখনই SEOMOZ কে একটি লিঙ্ক দিয়ে দিলাম। কেন? কারন, SEOMOZ এর ঐ আর্টিকেলটি ভাল মানের। কাজেই ভাল আর্টিকেল লিখার বিকল্প নেই।
কে আপনাকে Backlink দিবে?: কয়েকটি ভাল আর্টিকেল লিখার পর ভাবুন তো কে বা কারা আপনাকে Backlink দিবে? নিশ্চয়ই আপনার ব্লগের পাঠক অথবা আপনার সমমানের ব্লগাররা। তাই তাদের সাথে ভাল যোগাযোগ স্থাপন করুন। বুঝতে চেষ্টা করুন, আপনার ব্লগের পাঠকরা কি চায় এবং তাদের প্রত্যেকটি মন্তব্যের উত্তর দিতে চেষ্টা করুন, এমনকি ধন্যবাদ দিতেও কার্পন্য করবেন না।
ফোরাম-এ পোষ্ট করুনঃ ফোরাম-এ Signature লিঙ্ক ব্যবহার করতে দেয় এবং আপনার ব্লগ সংলিষ্ট ফোরামে পোষ্ট করুন। ফোরাম-এ কেউ সাহায্য চাইলে তাকে অবশ্যই সাহায্য করুন। “কিছুদিন আগে, Digitalpoint Forum-এ ঘুরতে ঘুরতে একটা থ্রেড দেখে আটকে গেলাম। একজন সাহায্য চেয়েছেন যে, তার একটি ব্লগ আছে যেখানে ২৫০+ পোষ্ট আছে, কিন্তু সম্প্রতি গুগুল তার বেশকিছু পুরুনো পোষ্ট De-index করে ফেলেছে, তাই তিনি চিন্তিত।” তখন আমি তাকে পরামর্শ দিলাম, De-index কৃত আর্টিকেল সম্পর্কিত নতুন আর্টিকেল  লিখতে বললাম এবং অভ্যন্তরীন লিঙ্ক (Internal link)- এর মাধ্যমে ঐ আর্টিকেল গুলুকে লিঙ্ক দিতে বললাম আর তাতে কাজ হয়ে গেল। এরপর থেকে তিনি আমার ব্লগের একজন নিয়মিত পাঠক হয়ে গেলেন আর তার ব্লগ থেকে আমাকে একটা লিঙ্ক দিলেন।
অতিথি পোষ্ট লিখুনঃ অতিথি পোষ্ট (Guest Article) লেখা ব্লগে পাঠক পাওয়া এবং ব্যাকলিঙ্ক পাওয়ার ক্ষেত্রে খুবই গুরুত্বপুর্ন। যেমন ধরুন, আমার এই আর্টিকেলটি এই ব্লগে যতদিন থাকবে, ততদিনই আমি এই ব্লগ থেকে পাওয়া ব্যকলিঙ্কটির সুবিধা পেতে থাকব।
এছাড়া, আরও কিছু মুখস্থ কথা আছে যেমন, অন্য ব্লগে কমেন্ট করা, আর্টিকেল সাবমিশন, ডিরেক্টরি সাবমিশন, Social Bookmarking, লিঙ্ক বিনিময় (Link Exchange) ইত্যাদি ইত্যাদি। এসব ব্যপারগুলু আমরা প্রায় সকলেই জানি, কিন্তু প্রয়োগ করি না বা প্রয়োগ করতে পারি না। এই পোষ্টে যতটুকু জানলেন ততটুকুই প্রয়োগ করুন, দেখবেন অনেক ব্যাকলিঙ্ক পাবেন।

ভাল থাকুন, সুস্থ থাকুন। শুভ কামনায়

জিমেইল ইমেইল গায়েব হয়ে যেতে পারে… পারলে এখুনি ব্যাকআপ নিন

Category : 0


গত তিন চারদিন জিমেইল নিয়ে বেশ কিছু ব্যবহারকারি বিপাকে পড়েছেন। হঠাৎ করে গুগলের ডেটা সার্ভারে সমস্যার কারনে এসব ব্যবহারকারির জিমেইলের সব ইমেইল গায়েব হয়ে গেছে। গুগলের ভাষ্যমতে মাত্র ০.০৮% ব্যবহারকারি এই সমস্যায় পড়েছেন। অথাৎ কম করে হলেও ১,৫০,০০০ ব্যবহারকারির একাউন্ট Reset হয়ে গিয়েছে।

আপনি তাদের মধ্যে একজন নন তো?

কিভাবে ব্যাকআপ নেবেন?

যেকোনো ইমেইল ক্লায়েন্ট যেমন Outlook, Outlook Express কিংবা Thunderbird মাধ্যমে সপ্তাহে অন্তত একবার ব্যাকআপ নিন। এখানে নিয়মাবলী বর্ণনা করা হয়েছে।
জিমেইলে Contact List ব্যাকআপ নিতে Contact অপশনে গিয়ে সব Contact সিলেক্ট করে তিনটি অপশনের যেকোন একটি অপশনে এক্সপোর্ট করে কম্পিউটারে কিংবা অন্যকোনো ইমেইল এড্রেসে ব্যাকআপ রেখে দিন। প্রয়োজনে নিয়মগুলো দেখে নিন।
জিমেইল ব্যাকআপের জন্য আরেকটি বেশ উপকারি টুল ছিল, বর্তমানে ওয়েবসাইটটি ডাউন। ওয়েবসাইটটি দিকে চোখ রাখতে পারেন।
এছাড়াও backupify এর ফ্রি একাউন্ট খুলে জিমেইল ছাড়াও আরও বেশ কিছু অনলাইন সার্ভিসের ব্যাকআপ নিতে পারেন। তবে ফ্রি একাউন্টের সাইজ মাত্র ২ গিগাবাইট। প্রয়োজনে একাধিক একাউন্ট খুলুন
হটমেইল একাউন্ট আছে কিন্তু ব্যবহার করেন না। ঠিক আছে, অন্তত ইমেইল ব্যাকআপের জন্য একাউন্টটি ব্যবহার করতে পারেন। TrueSwitch ব্যবহার করে হটমেইল আপনার জিমেইল ইমেইলগুলো ব্যাকআপ রাখতে পারেন।
কথায় বলে না Prevention is better than cure, তাই সময় থাকতে ব্যাকআপ নিয়ে নিন। বলা তো যায় না কখন প্রয়োজনীয় ইমেইল হারিয়ে মাথার চুল ছেড়া শুরু করেন।

আরেকটি কথা, গুগলের সার্ভিসে কোনো সমস্যা হচ্ছে কিনা দেখতে Google Apps Status Dashboard এ নজর রাখতে পারেন।

আপনার কাছে ব্যাকআপ নেবার এর চেয়ে কোনো ভাল বুদ্ধি আছে? থাকলে এক্ষুনি জানান। অপেক্ষায় থাকলাম।

সাথে থাকুন, ভাল থাকনু। সবার জন্য রইল শুভ কামনা।

কিভাবে আপনার ওয়েবসাইটে গুগলের “প্লাস ওয়ান” বাটন বসাবেন?

Tuesday, February 28, 2012 Category : 0


সার্চ রেজাল্টকে আরও বেশি বেশি সামাজিক (সোশ্যাল) করতে আর ফেসবুকের “লাইক” বাটনের সাথে টেক্কা দিতে কিছুদিন পূর্বে গুগল প্লাস ওয়ান বাটনের সূচনা করে। এর ফলে ফেসবুকের মতো আপনিও গুগলের “প্লাস ওয়ান” বাটনে ক্লিক করলে আপনার পরিচিতজনরা যখন গুগলে সার্চ করবে, তখন আপনার পছন্দের লিংকের পাশে আপনার নাম দেখতে পারবে। তারা আপনার পছন্দ করা লিংকে যেতে স্বাচ্ছ্যন্দ বোধ করবে।






গতকাল গুগল প্লাস ওয়ান বাটনের কোড সবার জন্য উন্মুক্ত করে দিয়েছে। এরই মধ্যে হয়তো বাটনটি ব্যবহারের কোডসমেত ওয়ার্ডপ্রেস প্লাগইন বেড়িয়ে গেছে। যারা এখনো কোডটি পাননি, তাদের জন্য এই পোষ্ট।


গুগল ওয়েবমাষ্টারস বিভাগে একটি পাতায় কোডটি বর্ননা করা হয়েছে, এখানে দেখুন। নিচের দু’লাইন কোড লিখেই যেকোনো সাইটে লাইন বাটন বসানো যাবে।


<!-- Place this tag in your head or just before your close body tag -->
<script type="text/javascript" src="http://apis.google.com/js/plusone.js"></script>


<!-- Place this tag where you want the +1 button to render -->
<g:plusone></g:plusone>


তবে যারা নির্দিষ্ট পেজের জন্য লাইক বাটন বসাতে চান, তাদেরকে এডভান্স অপশনটি ব্যবহার করতে হবে।
<!-- Place this tag in your head or just before your close body tag -->
<script type="text/javascript" src="http://apis.google.com/js/plusone.js"></script>


<!-- Place this tag where you want the +1 button to render -->
<g:plusone href="YOUR_WEBPAGE_LINK_HERE"></g:plusone>


আমার মতো যারা প্লাগইন ছাড়াই ওয়ার্ডপ্রেসের প্রতিটি পাতায় বাটন বসাতে চান, তারা নিচের কোডটুকু লক্ষ্য করুন।
<!-- Place this tag in your head or just before your close body tag -->
<script type="text/javascript" src="http://apis.google.com/js/plusone.js"></script>


<!-- Place this tag where you want the +1 button to render -->
<g:plusone href="<?php echo get_permalink(); ?>"></g:plusone>


কোনো সমস্যা হলে, মন্তব্য আকারে জানান।


সাথে থাকুন, ভাল থাকুন।


সবার জন্য রইল শুভ কামনা।

এডসেন্স থেকে ব্যান হওয়ার সহজতম উপায়গুলো!!!

Category : 0


শিরোনাম দেখে ভুরু কুঁচকে তাকানোর কিছু নেই। বর্তমানে ব্লগ এবং আয়বিষয়ক চটকদার ওয়েবসাইটগুলো ঘুরলেই আপনি দেখতে পাবেন “আয় করুন মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার!”, “ইন্টারনেটে উড়ে বেড়াচ্ছে টাকা! জলদি ধরুন!”, “ক্লিক করুন আর টাকা আয় করুন” সহ বহু টাইটেল চোখে পড়ে! সেই তুলনায় আমারটা কিছুই না! 


যাহোক… মানুষ লেখে কিভাবে ব্যান না খাওয়া যায়, কিন্তু আমি উল্টা করে লিখছি। কিভাবে ব্যান খাবেন তার সহজ উপায়গুলো এখানে লিপিবদ্ধ করলাম!


সম্পূর্ণভাবে এডসেন্স TOS & Program Policy ইগনোর করুন। 
নিজের এডে নিজে ক্লিক করুন। আপনার পাড়া-পড়শী, আত্নীয়স্বজন সবাইরে বলেন আপনার ওয়েবসাইটে ঢুকে ক্লিক করতে!
বিভিন্ন ক্লিক বট সফ্টওয়্যার ইউজ করুন। যারা প্রতিমাসে $১০০০ আয়ের গ্যারান্টি দেয়! 
এডসেন্স এডের একটা যুৎসই টাইটেল দেন! এই যেমন “আমারে ক্লিক করেন!” “আমাদের স্পন্সরসমূহ”, “আমাদের সাপোর্ট করুন” ইত্যাদি
প্রতিটা পেজে কমপক্ষে ৩টার বেশী এড বসান। 
পপআপ উইন্ডো ইউজ করেন।
যত পারেন কন্টেন্টের সাথে অমিল রেখে এড প্লেসে এড বসান।
এডসেন্সের সাথে অন্যান্য কোম্পানীরও এড বসিয়ে দিন। এই যেমন: এডব্রাইট 
এক এক সাইটের জন্য এক একটা একাউন্ট রাখুন। এই যেমন: আমার বকবকানীর জন্য একটা, আমার টেক আলোচনার জন্য একটা, এডসেন্স টিউটো লেখার সাইটের জন্য আরেকটা 
নিজের ইচ্ছামত গুগলের দেওয়া এডসেন্সের কোড পরিবর্তন করুন।
এডসেন্স সাপোর্ট টিম থেকে কোন মেইল আসলে ভুলেও পড়বেন না যেন!
বিভিন্ন ব্যানডকৃত কন্টেন্টে আরামসে এড বসায়ে দিন! সমস্যা নাই!  
নোট: পদ্ধতিগুলো এপ্লাই করার ফলে আপনার যে অবস্থা হোক না কেন তার জন্য আমি কোনভাবে দায়ী থাকব না।  So Try At Your Own Risk!

hosting-earnmoney.blogspot.com. Powered by Blogger.

Sample Text

ওয়েবসাইট এর পোস্ট গুলো ভাল লাগলে ওয়েবসাইটটিতে জয়েন করতে ভুলবেন না।

Sample text

Social Icons

Labels

Categories

Recent Comments

Protected by Copyscape Web Copyright Checker

Popular Posts

Advertisement (468 x 60px )

Labels

Search

Popular Posts

Followers

Featured Posts